
কৃষি সহায়তা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে একটি যুগান্তকারী ডিজিটাল উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। আগামী ১৪ এপ্রিল, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশের ১০টি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কৃষকদের দোরগোড়ায় সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী এই ডিজিটাল কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তত্ত্বাবধানে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। মূলত ভূমিহীন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সরাসরি সরকারি ভর্তুকি, স্বল্প সুদে ঋণ এবং কৃষি উপকরণ প্রাপ্তি সহজতর করতেই এই ‘কৃষক কার্ড’ প্রবর্তন করা হচ্ছে। সরকারের এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো কৃষি খাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য চিরতরে বন্ধ করা এবং উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য কৃষকদের জন্য নিশ্চিত করা।
রাঙ্গুনিয়ায় মন্দিরে চুরি ও প্রতিমা ভাঙচুর, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ
প্রাথমিক পর্যায়ের এই কর্মসূচির আওতায় নিবন্ধিত প্রত্যেক ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা সমমূল্যের সরাসরি আর্থিক অনুদান বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন। এই অর্থ সরাসরি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল ওয়ালেটে পৌঁছে যাবে, ফলে পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের একটি ডিজিটাল ডাটাবেস তৈরি হবে, যা ভবিষ্যতে সার, বীজ এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণে বড় ভূমিকা রাখবে। ১০ জেলায় সফলভাবে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই ডিজিটাল ‘কৃষক কার্ড’ সুবিধা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
প্রধান সম্পাদকঃ মীর আসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কামরুল ইসলাম বাবু, নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ওসমান গনি