
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক ওমান প্রবাসী ও তাঁর পরিবার গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে দুর্ঘটনার পর আহতদের সাহায্য করার পরিবর্তে তাঁদের মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার এক অমানবিক ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তীতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ৫ নং ওয়ার্ডের উত্তর ঘাটচেক খন্দকার পাড়া এলাকার মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে ওমান প্রবাসী রমজান আলী (৪০) দুর্ঘটনার শিকার হন। তিনি তাঁর স্ত্রী পারভীন আক্তার ও তিন বছর বয়সী শিশুকন্যা ফাইজাকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে চন্দ্রঘোনায় এক চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছিলেন।
ফটিকছড়িতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কক্ষ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
পথিমধ্যে চন্দ্রঘোনা গাবতল এলাকায় পৌঁছালে একটি ইট ভাঙার গাড়ি (মিক্সার মেশিন) হঠাৎ সামনে চলে আসে। এতে চালক রমজান আলী নিয়ন্ত্রণ হারালে সপরিবারে মোটরসাইকেল থেকে সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার পর পরিবারটি যখন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল, তখন সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে একদল দুষ্কৃতকারী তাঁদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং মোবাইল ফোনটি নিয়ে চম্পট দেয়। এই অমানবিক ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেন। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবং তৎপরতায় পরবর্তীতে ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধার করে ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
ফটিকছড়িতে কৃষি জমির মাটি কাটার গর্তে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু
এই ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা একদিকে যেমন ছিনতাইয়ের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, অন্যদিকে মালামাল উদ্ধারে রাজনৈতিক নেতাদের দ্রুত ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।
প্রধান সম্পাদকঃ মীর আসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কামরুল ইসলাম বাবু, নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ ওসমান গনি