
সময়টা দীর্ঘ—ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন ইন্সট্রুমেন্টের প্রতি এক অদ্ভুত টান। সঙ্গীতময় পরিবারে জন্ম বলেই হয়তো এই ভালোবাসাটা আরও গভীর হয়েছে।
গানে হাতেখড়ি মাত্র ৪ বছর বয়সে। তখন থেকেই হারমোনিয়াম আর তবলার সাথে পরিচয়সুরের ভেতরেই যেন বড় হয়ে ওঠা। দাদু ছিলেন একজন সনামধন্য গুণী বাদ্যযন্ত্রী। তাঁর কাছ থেকেই সঙ্গীতের ভিত্তিটা এত সুন্দরভাবে পাওয়া। তাই ১২টা নোট বুঝতে খুব বেশি কষ্ট করতে হয়নি সবকিছু যেন স্বাভাবিকভাবেই হৃদয়ে গেঁথে গিয়েছিল। কীবোর্ডের সাথেও পরিচয় ছিল অনেক আগে থেকেই তাই যন্ত্রটার প্রতি আলাদা একটা স্বচ্ছন্দ্য সবসময়ই কাজ করত।
রাউজানের ছেলে ইমরান উদ্দিন সিদ্দিকী নেপালের চুলু ফার ইস্ট পর্বতের চূড়ায়
একটা অনুষ্ঠানের কথা এখনো খুব মনে পড়ে। স্বরস্বতী পূজোর অনুষ্ঠান হঠাৎ জানা গেল কীবোর্ডিস্ট সড়ক দুর্ঘটনার কারণে আসতে পারবেন না। চারদিকে খোঁজ নিয়েও আর কাউকে পাওয়া গেল না। কী আর করা! কীবোর্ড আর গিটার নিয়েই নিজেই মঞ্চে উঠে পড়লাম। সেই মুহূর্তটা ছিল ভয়, দায়িত্ব আর ভালোবাসার এক অন্যরকম মিশেল। বলতে গেলে এটাই ছিল আমার প্রথম কোনো ব্যান্ড যার উদ্দেশ্য ছিল শুধুই সনাতন ধর্মীয় গান করা। তখনও বাংলাদেশে এই ধরনের ধর্মীয় ব্যান্ড করার প্রচলন শুরু হয়নি।
দ্বিতীয় ছবিটার গল্পও অনেকটা এমনই। বন্ধু কৌশিক দত্ত না হলে এই ছবিটা হয়তো হতো না, আমার উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখার জন্য তার প্রতি রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। এখনো শিখে যাচ্ছি। সঙ্গীত কোনো সাধারণ বিষয় নয় এটা এক বিশাল মহাসাগর। যতই শিখি, ততই মনে হয় কিছুই শেখা হলো না।
ইলিবেক প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশুদের জন্য মাতৃভাষা শিক্ষার নির্ভরযোগ্য মাধ্যম
আপনাদের ভালোবাসা আর সমর্থনেই আজকের আমি দুর্জয় দাশ সূর্য। এতদূর আসতে পেরেছি শুধুমাত্র আপনাদের জন্যই। আশা করি, আগামীর পথচলাতেও আপনাদের ভালোবাসা পাশে পাবো।
